
খুলনা সংবাদদাতা।। খুলনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেনের সহায়তায় ও নির্দেশনায় করোনার প্রাদুর্ভাব দূরীকরণে সরকারী নির্দেশ পালন করতে যেয়ে কর্মহীন হয়ে পড়া হতদরিদ্র অসহায় ৭ শত পরিবারে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ সম্পন্ন করেছে রূপসা উপজেলা প্রশাসন। খুলনা জেলা প্রশাসন এবং উপজেলা পরিষদের সমন্বিত উদ্যোগে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাসরিন আক্তার নিজে অসহায় ব্যক্তিদের বাড়িতে যেয়ে পৌছিয়ে দেন এই খাদ্যসামগ্রী।
শনিবার বিকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাসরিন আক্তার সরেজমিন ঘাটভোগ ইউনিয়নের ডোবা, বলটি, সিন্দুরডাঙ্গা, শিয়ালী, নরনিয়া, বামনডাঙ্গা, পিঠাভোগ এলাকার হতদারিদ্র অসহায় ব্যক্তিদের বাড়িতে যেয়ে পৌছে দিয়েছেন এই খাদ্যসামগ্রী। এছাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাসরিন আক্তার নিজ হাতে অসহায় ব্যক্তিদের মাস্ক পরিয়ে দিয়েছেন। এতে প্রতি পরিবার পেয়েছে ১০ কেজি চাল, ২ কেজি আলু, ৫০০ গ্রাম পেয়াজ, ৫০০ গ্রাম ডাল, ১ লিটার তেল, ৫০০ গ্রাম লবন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. কামাল উদ্দীন বাদশা, মৎস্য অফিসার বাপী কুমার দাস, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আরিফ হোসেন প্রমুখ। বাকী ৫শত দারিদ্র পরিবারের খাদ্যসামগ্রী রবিবার ইউপি চেয়ারম্যানদের মাধ্যমে প্রত্যেকের বাড়িতে পৌছিয়ে দেয়া হয়েছে।
রূপসা উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাসরিন আক্তার বলেন, কর্মহীন থাকা নিম্ন আয়ের মানুষদের যাতে না খেয়ে থাকতে হয় সে ব্যবস্থা করতে সরকার এই খাদ্যসামগ্রী দিচ্ছেন। জেলা প্রশাসক স্যারের সহযোগীতা ও নির্দেশনায় রূপসার ৫টি ইউনিয়নের ৭শত হতদারিদ্র পরিবারের কাছে আমরা এ খাদ্যসামগ্রী পৌছে দিয়েছি। পরবর্তিতে এই কার্যক্রমের পরিধি আরো বাড়বে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। সামর্থ্যানুযায়ী সমাজের বিত্তবানদেরকেও অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর আহবান জানিয়েছেন তিনি।
অপরদিকে, জেলা প্রশাসন থেকে প্রাপ্ত ১০টি, উপজেলা প্রাণীসম্পদ দপ্তর থেকে ৯টি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিজ উদ্যোগে ২টি মোট ২১ টি পিপিই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকদের দেয়া হয়েছে। এছাড়া ৫ শতাধিক মাস্ক রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়োজিত সেবাদাতাসহ উপজেলার সাধারণ মানুষদের মধ্যে বন্টন করা হয়েছে। মাস্ক বিতরণ এখনও চলমান রয়েছে।